Monday, November 19, 2012

হঠাৎ পাওয়া সুখ

হঠাৎ পাওয়া সুখ

July 14, 2012 | Author: storybd | Posted in জীবনের প্রথম যৌনতা

ছোটবেলা থেকেই নারীদেহের প্রতি আসিফের তৈরি হয়েছিল গভীর আকর্ষণ।যৌথ পরিবারে থাকার সুবাদে চাচি,চাচাত বোন এদের দেখেছে খুব কাছ থেকে।চাচি গ্রামের মহিলা।স্মার্টনেসের কোন ব্যাপারই ছিল না তার মধ্যে।শাড়ি পড়তেন ব্লাউজবিহীন।তাঁর বড় বড় বুক দেখেই বড় হয়েছে আসিফ।ঘামে ভেজা শরীরে চাচির শাড়ি লেপটে থাকত আর আসিফের চোখ তা গিলত চরম তৃষ্ণা নিয়ে।চাচাত বোন ঊর্মি আসিফের এক বছরের বড়।পিঠাপিঠি থাকলে যা হয়,দিনরাত মারামারি,খামচাখামচি করেই বড় হয়েছে ওরা।ঊর্মির মায়ের দুধ দেখতে দেখতে আর মাস্টারবেট করতে করতে ঊর্মিও যে নারী হয়ে উঠছে সেটা খেয়াল করার সময়ই পায়নি আসিফ।একদিন মারামারি করতে গিয়ে ঊর্মির সতের বছরের সতেজ বুকটায় হাত পড়ে আসিফের।
নরম মাংসপিণ্ডটা ধরে বোকা বনে যায় আসিফ।এত নরম!আর সেই সুযোগে আসিফকে চড় লাগিয়ে পালায় ঊর্মি।এরপর কদিন লজ্জায় একজন আরেজনের দিকে তাকাতে পারেনা দুজন।আর আসিফের রাতের স্বপ্নের একমাত্র বিষয় হয়ে উঠে...............................
 

Thursday, November 8, 2012

দুলা ভাইয়ের সাথে শালির চোদচুদি

দুলা ভাইয়ের সাথে শালির চোদচুদি

দুলা ভাইয়ের সাথে শালির চোদচুদি

Photo: How Is This......?
দুলা ভাইয়ের সাথে শালির চোদচুদি
আমার নাম কলি। থাকি পাবনা শহরে। একদিন এক বান্ধবি, নাম যুই, বলল এই আমি আগামি ছুটিতে বড় আপার বাসায় যাবো তুই যাবি আমার সাথে। মিনি আপা এখন কোথায় থাকে তা বললিনা আগেই কিভাবে বলি যাবো কিনা। ও হ্যা এই দেখ আসল কথাই বলা হয়নি শোন বড় আপা এখন চিটাগাং থাকে, যাবি?হ্যা যেতে পারি যদি মা কে রাজি করাতা পারিস। ঠিক আছে সে ভার আমার।সত্যিই কলেজ বন্ধ হবার পর বাসায় ফিরে এলাম। বিকেলে যুই এসে হাজির। মায়ের কাছে বসে আনেকক্ষন ভুমিকা করে আসল কথা বলল খালাম্মা আমি পরসু দিন চিটাগাং যাবো বড় আপার বাসায় কলিকে আমার সাথে যেতে দিবেন? না কলি কি ভাবে যাবে আমি রাজি হলেও ওর বাবা দিবেনা। তাছারা তুমি কার সাথে যাবে? কেন দাদা নিয়ে যাবে। আমি কয়েক দিন থাকবো। দাদা আমাকে রেখে চলে আসবে আবার বড় আপার সাথে আমরা ফিরবো। কয়দিন থাকবে? বেশিনা মাত্র এক সপ্তাহ। ও, মিনি আসবে? হ্যা, আপনি একটু বলেননা খালুকে। আছছা দেখি। শেষ পরযন্ত বাবা রাজি হলেন।চট্টগ্রামে মিনি আপার বাসায় এসে পৌছে দেখি এলাহি কারবার তার শসুর শাসুরি সহ আরো প্রায় ৫/৬ জন মেহমান এসেছে গতকাল। খাওয়া দাওয়ার পর এখন চিন্তা শোয়া হবে কোথায়। আপা পাসের বাসায় গেল, সে বাসায় ভদ্রলোক একা আছে তার ফ্যামিলি গেছে ঢাকায়। হ্যা আপা পজিটিভ খবর নিয়ে এসেছে এই 

 

মিল্ক ভিটা

মিল্ক ভিটা (collected)

Photo
অনেকদিন পরে ঢাকা airporte এসেছি, বড় আপার নিতে আসার কথা, দেখছিনা কোথাও. অসুবিধা নাই, একটা taxi নিয়ে চলে গেলেই হবে. কিন্তু মাঝখানে দাড়িয়ে আছে একটা মেয়ে, পুরা airport আলো করে আছে. মালখানা একেবারে খাজা গোল্লা, কামড়ে কামড়ে সুখ, বাঙালিদের তুলনায় একটু লম্বা হবে, ৫ফুট, ৩/৩.৫হবে. হাইহিলের জন্য ঠিক বুঝা মুস্কিল, ৪ ও হতে পারে. হালকা একটু চর্বি জমেছে, যাতে একটু তুলতুলে ভাব এসেছে, দেখলে চটকাতে ইচ্ছা করে. খুব দামী একটা শাড়ি এমনভাবে পরেছে যাতে ওর সুন্দর দুধ দুটো বোঝা যায়. খুব বড়না, ৩৪ c হবে. সবাই চেয়েচেয়ে দেখছে. এখন কারেন্ট চলে গেলে একে যে সবাই মিলে রেপ করবে এতে কোনো সন্দেহ নাই, এ অনেককে মজাও দিতে পারবে একসাথে. এর দেহের কোনায় কোনায় যৌবন. একে বিছানায় নিতে পারলে সুখ পেতাম. ধোনটা শক্ত হয়ে গেছে. বাচ্চা হবার পরে নিলা এখনো ভালো করে চুদতে দেয় না. আমি অনেকক্ষণ চুদতে পছন্দ করি, এখনো দিনে ২/৩ বার করি. ২ বার এর নিচে হলে বেশ ঝামেলায় লাগে. এই মেয়ে মনে হয় ৪টা চোদা দেবে একবারে, শক্ত পোক্ত একটাশ রীর. দেখে মনে হয় বিবাহিত, কিন্তু শরীরটা খাসা. ঢাকায় নাকি এখন চোদার শহর, অনেক ব্যাটাই বিদেশে চাকরি করে, ওদের বউমাগীরা ভোদা কেলিয়ে ঘুরে বেড়ায়. একটা ভালো ব্যাটার নাকি চোদার কোনো অভাব নাই.

আমার বউ (নিলা) আবার বেশ ফ্রী, বলেছে পারলে লাগিও, কিন্তু কনডম পরে নিও. ৩৬টার একটা প্যাকেট কিনে দিয়েছে, কিন্তু আমি জানি ও হিসাব রাখবে. এই মেয়েটা জানে ওকে সবাই দেকছে, ওর সানগ্লাসএরউপরথেকেচুলসরালো. সুন্দর করে কাটা চুল, দামী একটা সানগ্লাস দিয়ে কিউট মুখটা সুন্দর একটা ফ্রেম করে রেখেছে, বম্বের নায়িকাদের মত একটা জেল্লা এসেছে. আহা এই মালখানাকে বিছানায় নিতে ৫ লাখ টাকা খরচ করতে রাজি আছি.
এমন সময় immigration অফিসার এর কথায় ধ্যান ভাঙ্গলো, বলল স্যার, আপনার কাজ শেষ. বেল্ট থেকে lageg নিয়ে বাড়ি যান. আমি thank you বলে এগিয়ে আমার সুইটকেস নিলাম. বেরিয়ে আসছি এইসময় মেয়েটা বেশ জোরে ডেকে উঠলো মামা. বুঝলাম মেয়েটা ওর মামাকে নিতে এসেছে. মনেমনে ভাবলাম মেয়েটার মামাকে দেখি চিনি কিনা. একটা ছবি তুলে নেয়া যায় কিনা দেখি, পরে খুঁজে বের করা যাবে. আমি ঝুকে আমার হ্যান্ড ব্যাগ থেকে ক্যামেরা বের করতে গেলাম, দেখি মেয়েটা দৌড়ে আমার দিকে আসছে.
আমার সামনে দাড়িয়ে বলল রাঙ্গামামা, আমাকে চিনতে পারনি.
আমি বললাম শান্তা, তুই কোথেকে? কখন আসলি?
শান্তা আমার ভাগ্নি, বড়বোনের মেয়ে. আমার চেয়ে বছর দুইকের ছোট. আমরা একসাথে বড় হয়েছি, ঢাকা মেডিকেলে পরেছি দুজনই.ওর বান্ধবীকে আমি বিয়ে করেছি আরও আমার বন্ধুকে. বলতে গেলে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড.
ও আবার জিগ্গেস করলো, আমাকে চিনতে পারনি, বলে জড়িয়ে ধরল. আমি ও জড়িয়ে ধরলাম, সেই বিখ্যাত দুধ দুটি এখন আমার বুকে পিষ্ট হচ্ছে, সবাই তাকিয়ে দেখছে. এক লেবার শ্রেনীর লোক দেখলাম ওর ধন ঠিক করলো ওর প্যান্টের ভিতরে.
আমি বললাম তুইতো মহাসুন্দরী হয়ে গেছিস, চিন বকি করে.
শান্তা বলল, আমি আগে সুন্দরী ছিলাম না?
আমি বললাম, আগে তুই সুন্দরী ছিলি, এখন মহা সুন্দরী.
শান্তাবলল, তোমার বন্ধুকে এইটা বোলো. ও আমার সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করে.
ড্রাইভার আমার লাগেজ এর মধ্যে তুলে ফেলেছে, আমরা গাড়িতে উঠলাম. প্রায় সন্ধ্যা হয় হয়. বিশ্ব কাপ ক্রিকেট এরপরের ঢাকা, বেশ সুন্দর লাগছে.
HOW TO READ MORE"
 

নমিতা

নমিতা (collected)

0
1

Rate This

নমিতা – এই গল্পের নায়িকা, দেখতে শুনতে সাধারণ বাঙ্গালি মেয়ের থেকে খুব একটা আলাদা নয়।বয়স ২৬, লম্বায় ৫’২” ,মাঝারি গড়ন, রংটা ফর্সা না , একটু চাপার দিকেই ,এক ঢাল কালো চুল, ভারী চেহারা। আলাদা কোনো চটক না থাকলেও, চোখে একটা আত্মবিশ্বাসের ছাপ।পড়াশোনা এগারো ক্লাস অবধি , তার পরই সংসারের অভাবের তাড়নায় লোকের বাড়ীতে কাজ ধরে নেয়।হ্যাঁ ! নমিতা আমার বাড়ীতে কাজ়ের লোক হিসেবেই এসেছিল, আজ থেকে প্রায় তিন বছর আগে।
আমি অনিকেত , বয়স ৩০ , সাড়ে পাঁচ ফুট লম্বা, পেশীবহুল না হলেও কলেজ লাইফ পর্যন্ত ফুটবল খেলার জন্য শরীরটা ফিট আছে এখনও।
তখন আমি শিলিগুড়িতে – বিডিও অফিসে চাকরী পেয়ে কোলকাতার বাইরে প্রথম বার। পড়াশোনাতে ভাল ছিলাম , কিন্তু তেমন ভালো চাকরী বাগাতে পারছিলাম না – ইন্টারভিউ দিতে গেলেই আমার সব গুলিয়ে যেত। শেষ মেষ শুরু করলাম p s c এর পরীক্ষা দেওয়া।বেশ কিছুদিন রগড়ানোর পর এই চাকরীটা পেলাম। সঙ্গে সঙ্গে কোলকাতা ছেড়ে শিলিগুড়ি ।বাড়ি থেকে আপত্তি ছিল প্রচুর – আর ভাল চাকরী পাবে ছেলে এই ভরসায়।আর আপত্তি ছিল আমার প্রেমিকার – সোনালীর , ওর কথায় পরে আসছি।

একা মানুষ , তাই এক বেডরুমের ফ্ল্যাট নিলাম কলেজ পাড়ায়।ফ্ল্যাটট� � চার তলায়, তার উপরে আর কোনো ফ্ল্যাট নেই, খোলা ছাঁদ। লিফট নেই , তাই ভাড়া একটু কম। আমার উলটো দিকের তিন বেডরুমের ফ্ল্যাটটা ফাঁকা, শুনেছি গ্যাংটকের কোনো ব্যবসায়ীর ওটা , ন’মাসে ছ’মাসে এসে থাকে ।
কাজে জয়েন করে গেলাম, চাপ নেই তেমন – সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা ডিউটির সময়।সব ঠিকঠাক , কিন্তু অসুবিধে হল অন্য দিকে – কোলকাতায় কোনো দিন ঘরের কোনো কাজ করতে হয়নি ,না জানি রান্না বান্না । তাই ঠিক করলাম বাইরেই খাওয়া দাওয়াটা সেরে নেব। তিন চার দিনের মাথায় ওই খাওয়ার খেয়ে শরীর খারাপ, ঠিক করলাম নিজেই হাত পুরিয়ে দেখি।ব্যস, কিনে আনলাম রান্না বান্নার সরঞ্জাম।কিন্তু নাজেহাল অবস্থা হল রান্না করতে গিয়ে।বাধ্য হয়ে ফ্ল্যাটের দারোয়ানকে বললাম কাজের লোক ঠিক করে দিতে।সেই সূত্রেই নমিতার সঙ্গে পরিচয় হল।
শুক্রবার সকাল বেলা সাড়ে সাতটা নাগাদ দরজায় আওয়াজ , আমি আড়মোড়া ভাংছিলাম শুয়ে শুয়ে, উঠে গিয়ে দরজা খুলে দেখি সুন্দর – আমাদের ফ্ল্যাটের দারোয়ান।“বাবু , কাজের লোক বলেছিলেন, নিয়ে এসেছি।” আমার চোখে তখন ঘুমের রেশ লেগে, বললাম – “ ঘরে এসে বস , আমি আসছি”।
আমি বাথরুমে ঢুকে মুখ ধুচ্ছি, শুনলাম সুন্দর বলছে “ বাবু, আপনি ওর সাথে কথা কয়ে নিন , আমি চললাম, কাজ পরে আছে”।
দরজা বন্ধ হওয়ার আওয়াজ শুনলাম।
মুখ ধুয়ে বেরিয়ে এসে আমার চোখ প্রথম বারের জন্য পরল নমিতার উপর। ওর বর্ণনা তো আগেই দিয়েছি।পড়নে একটা হাল্কা নীল সিন্থেটিক শাড়ী আর সাদা ব্লাউস। শাড়ীটা টাইট করে পড়া, খোলা চুল পিঠে ছড়ানো।বন্ধ দরজার পাশে দাঁড়িয়ে আছে ।
HOW TO READ MORE:





বিজলি



বিজলি (collected)

0
0

Rate This

কাটা তারের ওপারে মইন মিয়ার বাড়ি ৷ তার এক খানা খেয়া পারাপারের জন্য রাখা আছে অজয় নদীর ঘাটে ৷ দু চারশ মানুষের একমাত্র সম্বল এই মইন মিয়া খিটখিটে হলেও নিতান্ত ভালো মানুষ ৷ তার ২১ বছরের ছেলে আলম ৩ বছর আগের বন্যায় নিখোজ হয়ে গেছে ৷ আজ কেউ জানে না আলম কোথায় আছে ৷ পুলিশ তার দেহ পায়নি বলে তাকে মৃত বলতে নারাজ ৷ মইন মিয়া একাই থাকে তার দুটো নৌকা কে সঙ্গী করে ৷ তার বউ মেয়ে নেই ৷ সামিয়া তার ভাইয়ের মেয়ে তাকে রান্না বার করে দেয় ৷ বিজ্পুরের এই কাটা তারের বেড়াই দেশের শেষ সীমানা ৷ তার পরে বাংলাদেশের নবাবগঞ্জ ৷ আর এই বেড়া পেরিয়ে অজয় নদী পার হয়ে সয়ে সয়ে লোক বাজারে আসে ৷ মিলিটারী আসার পর থেকে নবাবগঞ্জ আর বিজ্পুরের লড়াই থেমে গেছে ৷ নাহলে দু গ্রামের মানুষ গুলো যেন একে অপরের শত্রু ৷ মইন মিয়া তার জীবনে অনেক খুনো খুনি দেখেছে ৷ কিন্তু এই মইন মিয়া কে বিজ্পুরের লোকেরা তাদের আপন ভাইয়ের মতনই মানে ৷ আর নবাবগঞ্জ এর মানুষ জনে মইন মিয়া কে তাদেরই একজন ভাবে ৷ পারের কড়ি মোটে ৪ আনা ৷ সারা দিনে ২০ টাকা কমিয়ে নেয় মইন মিয়া ৷ তার আর কেই বা আছে ৷

স্কুলের বাচ্ছা বা গরিব দের থেকে মইন মিয়া পারের পইসা চায় না ৷ কিন্তু গায়ের মাতব্বর আর ব্যবসাদার দের মইন মিয়া ছাড়ে না ৷ পারাপারের জন্য সিরাজুল আছে মইন মিয়া না থাকলে কখনো সখনো সেই খেয়া বায় ৷ তার এই কাজে মন নেই ৷ বিজ্পুরের বিজলি কে কে না চেনে ৷ সে যাত্রা দলে এক দু বার অভিনয় করেছে ৷ মা বাপ নেই মেয়েটার ৷ তাই ছোটো থেকেই বখে গেছে একটু ৷ বিজলি সত্যি বিজলি ৷ তার শরীরের খাজে অনেক বিজলি জমা আছে ৷ সিরাজুল অনেক দিন থেকেই বিজলীর পিছনে পরে রয়েছে ৷ বিজলি কে সে বিয়ে করবে ৷ বিজলীর কাকা র কাছেই থাকে বিজলি ৷ বিজলীর কাকা রহিম চাচা বিজ্পুরের চোলাইয়ের ব্যবসাদার ৷ অনেক বার পুলিশ ওকে তুলে নিয়ে গেছে চোলাই বিক্রি করার জন্য ৷ রহিম চাচার কাছে যারা আসে তারা সবাই গ্রামের ব্যবসাদার ৷ সারা দিন পরিশ্রম করে দু গ্লাস চোলাই খেয়ে বাড়ি চলে যায় হাট ভাঙলে ৷ ঠিকুরির হাট খুব বড় হাট ৷ শুক্রবার সকাল বেলা থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত হাজার দুয়েক লোক কেনা কাটা করে ৷ আর ঠিকুরির হাট নবাবগঞ্জের আর বিজ্পুরের এক মাত্র বড় বাজার ৷
রহিম চাচা সিরাজুল কে দু চোখে দেখতে পারেন না ৷ আগের বর্ষায় ৫০০০ টাকা দেবে কথা দিয়েও দিতে পারে নি ৷ তাই বিজলি কে সিরাজুলের হাথে তুলে দেবে না রহিম চাচা ৷ রহিম চাচা এর আগে বিজলি কে কলকেতার কোনো বাবুকে বেচে দিয়েছিল কিন্তু বিজলি সেখান থেকে ভেগে গেছে ৷ আর বিজলি এখন সিয়ানি, তাই বেশি জোর জার করলে ফল ভালো হবে না রহিম চাচা জানে ৷ রহিম চাচা সুধু মইন মিয়াকেই ভয় পায় ৷ আর মইন মিয়া বিজলি কে বেগম বলে ডাকে ৷ নিজের মেয়ের মতি ভালো বসে বিজলি কে ৷
হিদু দের দুর্গপুজো ৷ শরতের আকাশ ৷ বেজায় ফুর্তি হয় এই সময় ৷ একটু বেশি পইসা আসে হাথে ৷ সিরাজুল বাঁশ কেটে প্রায় ১০০ বাঁশ বিক্রি করেছে ৫ টাকা দরে ৷ অজয়ের পার থেকে সিরাজুলের বাঁশ ঝাড় দেখা যায় ৷ সিরাজুল দের বাপ কাকা দের বাঁশ ঝাড় , বাবা মারা যাবার পর থেকে সিরাজুল প্রতিবছর বাঁশ কেটে কিছু পইসা ঘরে আনে ৷ সিরাজুলের প্রথম স্ত্রী খেরুন্নিশা , মেয়েটা খুব গরিব ঘরের ৷ বাপ খেতে দিতে পারে না বলে সিরাজুল কৌশল করে বিয়ে করে এনেছে ৷ রোজ রাতেই মদ খেয়ে মেয়েটাকে মারধর করে ৷ খেরুন্নিশা দেখতে মন্দ নয় কিন্তু বড্ড মাথা গরম ৷ সে জানে সিরাজুল বিজলীর পিছনে অনেক দিন থেকেই ছোক ছোক করছে ৷ আর বিজলি ভালো মেয়ে না ৷ তাই বিজলীর চক্করে পরে তার মরদ যেন তার থেকে আলাদা না হয়ে যায় ৷ খেরুন্নিশা তাই তার দেড় বছরের ছেলে কে বুকে আকড়ে সিরাজুল কে পাহারা দেয় ৷

আমার জীবনের একটি মজার ঘটনা

 আমার জীবনের একটি মজার ঘটনা
আমি রাজিন আমার বয়স ২২। আমার জীবনের একটি মজার ঘটনা আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই। আমাদের পরিবারের সদস্য সংখ্যা কাজের মেয়ে সহ চারজন্। আমি মা, আর আমার দুই বছরের বড় বড়বোন, আর বাবা দেশের বাইরে থাকে। আপা সবে মাত্র কলেজে পা রেখেছে। আমার আপার নাম রোজি। আম্মা প্লান করলো ১সপ্তাহের জন্য মামার বাসায় বেড়াতে যাবে। আমি একা থাকবো সে কথা চিন্তা করে, আপাকে হোষ্টেল থেকে নিয়ে এল। আম্মা তারপরের দিন রাতের বাসে রওনা দিল। রাতে আপা আর আমি একসাথে খাওয়া শেষে করলাম, আপা ওষুধ খেল। আমি জিজ্ঞেস করলাম কিসের ওষুদ বলল-ঘুমের ঔষধ। ইদানিং নাকি ওর মোটেই ঘুষ আসেনা। কিছুক্ষণের মধ্যেই আপা ঘুমিয়ে পড়ল। আমি ডেকে টেষ্ট করলাম ঘুমিয়ে গেছে না জেগে আছে। দেখলাম ঘুমিয়ে গেছে।


তারপর আসাতে করে উঠে টিভি চালু করলাম। এক্স এক্স চ্যানের চালু করতেই দেখলাম দারুণ মভি চলছে। রাত ২টা পর্যন্ত মভি দেখলাম। মভি দেখতে দেখতে আমার অবস্থা একেবারে খারাপ। আমার লাওরা বাবা জি তো ঘুমাতেই চাই না। আপার দিকে তাকাতেই আমার আমার শরীরের মধ্যে উত্তেজনা আরোও বারলো। মনে মনে চিন্তা আসছিল যদি রোজির কমলা দুইটা একবার ধরতে পারতাম। 
 

HOME

WELL COME TO YOU ON FREE BANGLA  
                    SEX STORY/CHOTI



  • YOU CAN READ SEX STORY IN BANGLA .
  • IT IS FREE.
  • FREE BANGLADESHI GIRL NUDE PICTURE.
              AND MORE....................






MOST NEW POST:. 
       নমিতা (collected)
  • .মিল্ক ভিটা (collected)

     দুলা ভাইয়ের সাথে শালির চোদচুদি 

     আজ একটু বেশি ভালো লাগে, ভেতরটা কেমন শির শির করে।